মেনু নির্বাচন করুন

গ্রাম আদালত

গ্রাম আদালত

 

কলাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদে প্রতি সম্পাহের বৃহ:স্পতিবার এবং মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় গ্রামআদালত বসে। গ্রাম আদালতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন সচিব, পরিষদের  সদস্য . সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা ও এলাকার গন্য মান্য  ব্যক্তিবর্গ উপস্থিতথাকেন।

গ্রাম আদালতের ভুমিকাঃ-

স্হানীয়ভাবেপল্লী অঞ্চলের সাধারণ মানুষের বিচার প্রাপ্তির কথা বিবেচনায় নিয়েস্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে প্রণীত হয় গ্রাম  আদালত অধ্যাদেশ।পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ০৯ মে ১৯ নং আইনের মাধ্যমে প্রণীত হয় গ্রাম আদালত আইন। এ আইনের মূল কথাই হলো স্হানীয়ভাবে স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পিত্তি।নিজেদেনমনোনীত প্রতিনিধিদের সহায়তায় গ্রাম আদালত গঠন করে বিরোধ শান্তি পূর্ণসমাধানের মাধ্যমে সামাজিক শান্তি ও স্হিতিশীলতা বজায় থাকে বলেই এ আদালতেরমাধ্যমে আপামর জনগণ উপকৃত হচ্ছেন ।

গ্রাম আদালতবলতেকী বুঝায় ?

গ্রামালের কতিপয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেওয়ানী ও ফেৌজদারী বিরোধ স্হানীয়ভাবেনিষ্পত্তি করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় যে আদালত গঠিত হয় যে আদালতকেগ্রাম আদালত বলে ।

কোন আইনের আওতায় গ্রাম আদালত গঠিত হবে ?

গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এর আওতায় গ্রাম আদালত গঠিত হবে ।

গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য কী?

কম সময়ে, অল্প খরচে, ছোট ছোট বিরোধ দ্রুত ও স্হানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করাই গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য ।

গ্রাম আদালত আইন কত তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে ?

০৯ মে ২০০৬ তারিখ হতে গ্রাম আদালত আইন কার্যকর হয়েছে ।

গ্রাম আদালত আইন কীভাবে গঠিত হয় ?

৫(পাচ) জন প্রতিনিধির সমন্বয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হয় । এরা হলেন সংশ্লিষ্টইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, আবেদনকারীর পক্ষের ২ জন প্রতিনিধি (১ জন ইউনিয়নপরিষদের মেম্বার এবং ১ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি) প্রতিবাদীর পক্ষের ২ জনপ্রতিনিধি (১ জন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার এবং ১ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি)

 ফৌজদারী বিষয়ঃ-

১। চুরি সংক্রান্ত বিষয়াদি

২। ঋগড়া -বিবাদ

৩। শক্রতামূলক ফসল ,বাডি বা অন্য কিছুর ক্ষতি সাধন

৪। গবাদী পশু হত্যা বা ক্ষতিসাধন

৫। প্রতারণামুলক বিষয়াদি

৬। শারিরীক আক্রমণ ,ক্ষতি সাধন, বল প্রয়োগ করে ফুলা ও জখম করা ।

৭। গচিছত কোনো মুল্যবান দ্রব্য বা জমি আত্নসাৎ

দেওয়ানী বিষয়ঃ-

১। স্হাবর সম্পতি দখল পুনরুদ্ধার

২। অস্হাবর সম্পত্তি বা তার মূল্য আদায়

৩। অস্হাবর সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়

৪। কৃষি শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরী পরিশোধ ও ক্ষতিপুরণ আদায়ের মামলা

৫। চুক্তি বা দলিল মূল্যে প্রাপ্য টাকা আদায়

বাংলাদেশেআনুষ্ঠানিক বিচার পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি অনেক কাজের চাপ এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অপর্যাপ্ত সংখ্যা সঙ্গে ভীষণ চাপ অধীন হয়. ফলস্বরূপ,ক্ষেত্রে backlogsবিদ্যমান মুলতুবি ক্ষেত্রে আপনি পর্যন্ত যোগ এবং বর্তমান সময়ে এটি একটি মিলিয়ন প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে দাঁড়িয়েছে. এটা মামলার খরচ সামর্থ্য না করতে পারেন যারা ​​গ্রামীণদরিদ্র ও অসহায় দলের জন্য একটি নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে এবং সহজেই স্থানীয় পর্যায়ে এই সমস্যাগুলি সমাধান করা যেতে পারে যে,কিছু বিষয় উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার অ্যাক্সেস পেতে কিভাবে পরিষ্কার বোঝা না থাকে . স্থানীয় সরকার বিভাগ (LGD),ইউএনডিপি এবং ইউরোপীয় কমিশনের মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একটি প্রোগ্রাম দেশের ৫০০টি নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) মধ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ন্যায়বিচার সিস্টেমের সমর্থন ব্যবস্থা উপলব্ধ করার জন্য 'বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করা হচ্ছে'খেতাবধারী গ্রহণ করেছেন. এটি গ্রাম আদালত সদস্য,নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং সহায়তা কর্মীদের ক্ষমতার বিকাশ ইচ্ছুক. প্রেরণা প্রোগ্রাম সামগ্রিক বিচার পদ্ধতিতে নেভিগেশন গ্রাম আদালত এবং তাদের বেনিফিট ভূমিকা ও ফাংশান নেভিগেশন সংশ্লিষ্ট সকল sensitizeযাতে সম্পন্ন করা হবে.